খুনী স্বামী-স্ত্রীর আদালতে স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত: ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৬, ২০২১

 স্টাফ রিপোর্টার:: ছাতকের দক্ষিণ বাগবাড়ী লেবারপাড়া এরাকায় জমিতে থেকে উদ্ধার করা যুবকের অর্ধগলিত লাশের পরিচয় উদঘাটন এবং খুনীদের গ্রেফতার করে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে পুলিশ। প্রায় ৩ মাস পর থানা পুলিশ এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়। নিহত যুবক সাব্বির আহমদ (১৩)। সে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার নেয়াগাঁও গ্রামের বাবুল মিয়ার পুত্র বলে জানান গেছে।

গত ২৩ মে এ হত্যাকান্ডে জড়িত তাজুল মিয়া খছরু (৫৫) এবং তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৪৫) গ্রেফতার করে পুলিশ শ্রীঘরে পাঠিয়েছে। তাজুল ইসলাম খছরু দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর গ্রামের মৃত রশিদ আলীর পুত্র। বর্তমানে ছাতকের দক্ষিন বাগাবাড়ী লেবারপাড়া এলাকায় বসবাস করছে তারা।
গত ৪ মার্চ সকালে লেবারপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাজী বাবুল মিয়ার জমি থেকে অর্ধগলিত প্রায় বিকৃত এক অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় ছাতক থানার এসআই মাসুদ রানা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ছাতক থানায় একই হত্যা মামলা (নং-০৬) দায়ের করেন। ওই মামলার তদন্তভার দেয়া হয় ছাতক থানার এসআই আসাদুজ্ঝামানকে। তিনি প্রায় ২ মাস তদন্ত করে এর কোন ক্লু-উদঘাটন করতে পারেননি। অবশেষে ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার, চৌকস পুলিশ অফিসার হাবিবুর রহমান পিপিএমকে দেয়া এর তদন্তভার। তিনি এক সপ্তাহের মধ্যেই হত্যার রহস্য উদঘান করে খুনী স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাব্বির আহমদকে হত্যার পর তার লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে বিকৃত করা হয়। পরে লেবারপাড়া এলাকার একটি জমিতে লাশ ফেলে দেয়া হয়।
রহস্য উদঘাটনকারী পুরিশ কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম জানান, যুবক সাব্বির আহমদকে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা বিজ্ঞ আদালতে কাঃবিঃ ১৬৪ ধারায় সেচ্ছায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে খছরু ও তার স্ত্রী।