এমসি কলেজে গণধর্ষণ ও রায়হান হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সিলেট

প্রকাশিত: ১১:৫৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটে এমসি কলেজে গণধষণ ও পুলিশের নির্যাতেন নিহত রায়হান হত্যার প্রতিবাদে ঝড় বইছে দেশে ও বিদেশে। জেলার বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ধর্ষকদের দ্রুত বিচার ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছে তারা। প্রতিদিন নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মানববন্ধন করেছে অনেকেই। থেমে নেই সামজিক, রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার লোক।

তার ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার সিলেট নগরীর বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান কর্মসূচী ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ ও চৌহাট্রস্থ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে সড়ক অবরোধ করে মিছিল করেছে ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিলেট শাখার নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা এমসি কলেজে ধর্ষকদের পৃষ্টপোষকদের গ্রেফতার ও রায়হান আহমদ হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা বলেন, রায়হান আহমদ হত্যায় যাদের নাম এসেছে তাদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার কার্য পরিচালনা করা হোক।

প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪) নামের এক যুবক। পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।

এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।

এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে রায়হানকে ফাঁড়িতে এনে নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ পায় কমিটি। এই তদন্ত কমিটির সুপারিশে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটুচন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত এবং এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

স্ত্রীর দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে পিবিআই। মামলার প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর পলাতক রয়েছেন বলে দাবি পুলিশের