বর্তমান জরুরী অবস্তাতে পবিত্র ঈদুল ফেতরের নামাজ

প্রকাশিত: ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ, মে ২৪, ২০২০

মাওলানা আকবর আলী

সমস্ত প্রসংশা মহান মাবুদের দরবারে যিনি রাত দিন সৃষ্টি করেছেন,যিনি সৃষ্টি করেছেন জান্নাত এবং জাহান্নাম,যিনি সৃষ্টি করেছেন রোগ এবং সুস্ততা।
যিনি আমাদেরকে দিয়েছে ইসলাম নামক এক মহান নিয়ামত।

শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি সেই মহান মাবুদের দরবারে যিনি আমাদেরকে এই মহা বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করে এখন ও সুস্ত রেখেছেন এবং একমাস সিয়াম সাধনার পর বিশ্ব বাসীর জন্য এক মহা আনন্দের দিন ঈদুল ফেতর এর আগমন ঘটাচ্ছেন।

দুরুদ ও সালাম সেই মহামানব আমাদের প্রিয় নবী সাইয়্যিদুল মুরসালীন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর উপরএবং ,শুকুরিয় জ্ঞাপন করছি আমরা যারা তার উম্মত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পেরেছি।

বর্তমান বিশ্ব করুনা পাদুর্ভাবে আক্রান্ত হয়ে যারা মহান মাবুদের ডাকে সাড়া দিয়ে ইহদাম ত্যাগ করে পরপারে চলে গেছেন তাদের এবং তাদের পরিবারের জন্য সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

এবং মুসলমানদের যারাই মৃত্যু বরণ করেছেন, তাদের জন্য মাগফেরতের দু’আ করছি,
আল্লাহ তালা যেন তাদেরকে জান্নাতের উচু মকাম দান করেন আমিন

প্রিয় মুসলমান ভাই ওবোনেরা।

বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে লকডাউন বিশ্বপরিস্থিতি যখন আতংকিত, এরই মাঝে মুসলিম উম্মাহর প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর মহা আনন্দের দিনটির আগমন। যাহা আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য এক মহান নিয়ামত ও আনন্দের দিন।

এই দুর্যোগময় সময়ে প্রতিটাদেশে জরুরীওবস্তা চলছে,তারই মধ্যে আমরা কিভাবে ঈদ উজ্জাপন করবো কিভাবে ঈদের নামাজ আদায় করববো তানিয়ে সবারই ভাবনা।

প্রিয় মুসলমান ভাও ও বোনেরা,

বর্তমান বিশ্বের ইসলামিক স্কলারগন এব্যাপারে অনেক মতামত দিয়েছেন, তন্মধ্যে যে মতে ভিত্তিতে বা যে ভাবে আমরা পবিত্র ঈদুল ফেতরের নামাজ আদায় করবো তা এখানে তুলে ধরছি।বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসলামিক স্কলারদের মতে দেশ এবং জাতির নিরাপত্তার সার্থে যে যেখানে অবস্থান করছেন সেখানে সেই অবস্তায়ই নিজ গৃহেই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করে নিবেন। তবে তা কি ভাবে? নিম্নে ঈদের নামজের নিয়ম দেওয়া হল।

ঈদের নামাজের নিয়ম
বছরে দুই বার ঈদের নামাজ আদায় করার কারণে স্বাভাবিকভাবেই অনেকে ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। সে কারণে ঈদের নামাজের নিয়ম নিচে দেওয়া হল।

প্রথম রাকাআত
প্রথমে (সাধারণ নামাজের) তাকবিরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার) বলে হাত বাধা।- এর পর ছানা পড়ে অতিরিক্ত ৩ তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলা। প্রত্যেক তাকবিরে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে তৃতীয় তাকবিরের পর বেধে উচ্চ স্বরে সুরা ফাতেহা পড়া এবং অন্য যে কোনো সুরা পাঠকরা ।
এর পর রুকু সেজদা দেয়ার মাধ্যমে প্রথম রাকাআত আদায় করা।

দ্বিতীয় রাকাআত
দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে প্রথমেই সুরা ফাতেহা পড়ে অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার পুর্বে অতিরক্তি তিন তাকবিরের পর ৪র্থ তাকবির দিয়ে রুকুতে যাবেন। রুকু সেজদা এবং আত্তাহিয়াতুর পর সালাম ফেরাবেন।
এই হচ্ছে ঈদের নামাজের নিয়ম।

তবে প্রশ্ন হতে পারে খুতবা কিভাবে দিবেন খুতবা ছাড়া কি ঈদের নামাজ হবে?
এতে স্কলারদের মত হচ্ছে এই পরিস্তিতিতে কেহ ঈদের খুতবা নাদিতে পারলে ও তার নামাজ হয়ে যাবে। আআল্লাহু আলাম।
তারিখ,২২/০৫/২০২০ইং