সৈয়দপুরকে দুর্নীতি মুক্ত করতে গ্রামবাসীর বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯

সিলেট অফিস: জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর গ্রামে সর্বস্থরের জনতার উদ্যোগে গত শনিবার (২৪ আগষ্ট) বিকেলে বিশিষ্ট মুরুব্বী আলহাজ্ব সৈয়দ আব্দুর রকিব এর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামকে সন্ত্রাস-দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত করার জন্য সকলেই ঐক্যবদ্ধ হন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব সালেহ আহমেদ ছোট মিয়া। তিনি তার বক্তব্যে বলেন আমি আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত লোক, আমার বাবা আজীবন আওয়ামী লীগ করে গেছেন। আমরা আমাদের গ্রামের উন্নয়ন চাই । তিনি বলেন গ্রামের কিছু মুখোশ পরা কুচক্রী মহল গ্রাম কে সিন্ডিকেট করে রাখছে, যাগ্রামের মানুষ এর কাছে পরিস্কার। আমরা চাই গ্রাম সুন্দর ভাবে চলুক ও দুর্নীতিমুক্ত হোক । ১৫ বছর যাবত সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসা ম্যানেজিং কমিটি হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন। অনুষ্ঠানের পরিচালক আলহাজ্ব সৈয়দ নুরুল ইসলাম দুলো বলেন, গ্রামের কিছু মুখোশ পরা কুচক্রী মহল গ্রাম কে সিন্ডিকেট করে রাখতে চায়, যা গ্রামের সকলের কাছে পরিস্কার। আমরা এসব লোকদের কে সঠিকনিয়ম কানুন মেনে গ্রাম পরিচালনায় অংশ গ্রহণ করার আহবান জানাই। তিনি সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসার হিসাব নিকাশ জানতে চান। পীরজাদা বদরুল ইসলাম খান , তিনি বলেন আমি ১৯৭১ সালের গেরিলাবাহিনীর সহযোগি মুক্তি বাহিনীর গর্বিত সন্তান। গ্রাম এর কিছু কিছু আসয় বিষয় আলোচনা করলে বুঝা যায় গ্রাম চলছে ‘মগেরমুলুক’ এর ন্যায়। হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মিছবাহকে একজন ব্যক্তির বাড়িতে বসে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করেন কী ভাবে? যেখানে মাদ্রাসার শুরা কমিটি আছে, মজলিসে আমেলা আছে
,এমন কি মাদ্রাসার এদারা বোর্ড আছে। কোন কিছুর তুয়াক্কা না করেই একজন
শিক্ষক কে বহিষ্কার করা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না।
শেখ হরুপ আলী বলেন আমাদের সৈয়দপুর গ্রামের আলিয়া
মাদ্রাসার ১৫ বৎসর হতে কোন কমিটি নাই মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল তিনির
পছন্দের লোক দিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন। আমরা গ্রাম বাসির পক্ষ থেকে
এর একটা বিহিত ব্যবস্থ করার আহবান জানাই। অন্যান্যদের মধ্যে
বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব সৈয়দ আব্দুর রকিব, জনাব পাকি মিয়া, সৈয়দ হাফিজ মমনু ,মাওলানা
সৈয়দ মুনছিফ আলি, মাওলানা সৈয়দ সাহিদ আহমদ, মাওলানা সৈয়দ শামীম আহমদ, মাওলানা সৈয়দ ছালিম কাশিমি,মাওলানা মোঃ শব্বির শিকদার,মুফতি সৈয়দ রিয়াজ প্রমুখ। সভায় গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করার প্রস্তাব গৃহীত হয়।