“শেওতচূরা জলমহাল” ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির ইজারা প্রাপ্তির আবেদন

প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৯

সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় অবস্থিত শেওতচূরা জলমহাল ১৪২৬-১৪২৮ বাংলা সন মেয়াদে ইজারা প্রাপ্তির ঁজন্য সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষে সভাপতি সুনা উল্যা। গত ১৩ মে সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির প্রকৃত মৎস্যজীবিরা এ আবেদনপত্র প্রদান করেন।

লিখিত আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, কানাইঘাট উপজেলায় অবস্থিত শেওতচূরা জলমহাল বিগত ১৪২৩-১৪২৫ বাংলা সন পর্যন্ত ০৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে শাহজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ইজারা প্রাপ্ত হয়ে ভোগদখল করার পর ১৪২৬-১৪২৮ বাংলা পর্যন্ত মেয়াদের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার কানাইঘাট কার্যালয় হইতে স্মারক নং- ০৫.৪৬.৯২৫৯.০০০.০০.০০০.১৯.১৫৭(৭০), তারিখ: ৩০ মাঘ/১৪২৫ বাংলা, ১২/০২/২০১৯খ্রি: তারিখে ২০.০০ একর পর্যন্ত জলমহাল সমূহের ইজারা প্রদানের লক্ষ্যে আহ্বান বিজ্ঞপ্তি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০০৯ এর আলোকে ১৪২৬-১৪২৮ বাংলা মেয়াদে বন্দোবস্ত গ্রহনে ইচ্ছুক মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি সমূহের কাছ হতে আবেদন আহ্বান করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে শেওতচুরা জলমহাল বন্দোবস্ত গ্রহণের জন্য ১নং ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ, কানাইঘাট, সিলেট, ২নং বেতকান্দি মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: কানাইঘাট, সিলেট, ৩নং কালাগুল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি:, কানাইঘাট, সিলেট, ৪নং শাহজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ, কানাইঘাট, সিলেট টেন্ডার অংশগ্রহন করেন। ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সদস্য সবাই প্রকৃত মৎস্যজীবি এবং তাদের অবস্থান ‘শেওতচুরা’ জলমহালের তীরে। আর এজন্য তারা ইজারা পাওয়ার যোগ্য।

এ ছাড়া পাশাপাশি কিছু অমৎস্যজীবি আরোও দুইটি সমবায় সমিতি নব্য সৃষ্টি করে যার নাম কালাগুল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ। যার সভাপতি ইছমাইল আলী ও তার ছেলে প্রবাসী হয়েও সে সদস্য, অপর দুইজন সদস্য আনছার ভি.ডি.পিতে চাকুরী করে, তারা ও সদস্য। শাহজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি ফখর উদ্দিন তিনি নিজেও একজন অমৎস্যজীবি। প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের চোখে ধুলো দিয়ে একজন অমৎস্যজীবি শাহজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি হয়ে রহস্যজনকভাবে শেওতচুরা জলমহাল বন্দোবস্ত নিয়ে ভোগদখল করে, তারা কারো বোধগম্য নয়। তাছাড়া মামলাবাজ ফখর উদ্দিন শাহজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ বর্তমানে ১৪২৬-১৪২৮ বাংলা সনের জন্য টেন্ডারে অংশগ্রহন করেন এবং মহামান্য হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করেন।

আরেকদিকে সরকারি ভাবে সরেজমিনে মাপ যোগও হয়। সরেজমিন মাপ যোগ কালে তার সমিতির অবস্থান হয় চৌদ্দ হাজার একশত দশ ফুট দুরত্বে ও ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের অবস্থান দশ হাজার আটশত চৌচাল্লিশ ফুট দুরত্বে। এতে বুঝা যায়, ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ জলমহালের তীরবর্তী ও নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত।

অমৎস্যজীবি ফখর উদ্দিন দুই দুইটি সমিতি সৃষ্টি করে সরকারি সম্পত্তি ও সরকারি জলমহালে ক্ষতিসাধন করে যাচ্ছেন।

শেওতচুরা জলমহাল ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ বরাবরে ১৪২৬-১৪২৮ বাংলা মেয়াদ বন্দোবস্ত প্রদানের আদেশের জন্য সিলেট জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের প্রকৃত মৎস্যজীবিরা। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি।